1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
দুর্গম চরে মা-মেয়েকে ঘর থেকে তুলে ধর্ষণ - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:০১ পূর্বাহ্ন

নোয়াখালীর দুর্গম চরে মা-মেয়েকে ঘর থেকে তুলে ধর্ষণ, মামলা ও গ্রেপ্তার ২

  • সর্বশেষ আপডেট: রবিবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৪
  • ১৭৪ বার পঠিত
মা-মেয়েকে ঘর থেকে তুলে ধর্ষণ

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চর এলাহী ইউনিয়নের এক দুর্গম চরে মা ও মেয়েকে ঘর থেকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনার পর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। নির্যাতনের শিকার ওই নারী গতকাল শনিবার রাতে বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

মামলায় ছয়জনকে আসামি করা হয়েছে। গতকাল রাতে অভিযান চালিয়ে পুলিশ এজাহারভুক্ত দুই আসামি মো. হারুন ও মো. হাসানকে গ্রেপ্তার করেছে। জানা গেছে, তারা স্থানীয় যুবদলের সঙ্গে যুক্ত।

অন্যদিকে, নির্যাতিত মা ও মেয়েকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য আজ রোববার নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এরপর তাঁদের জবানবন্দি রেকর্ড করতে নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হবে বলে জানিয়েছেন কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মুহাম্মদ ফৌজুল আজিম। তিনি আরও জানান, আসামিদের ধরতে পুলিশের একাধিক দল অভিযান চালাচ্ছে।

কোম্পানীগঞ্জ থানা সূত্রে জানা গেছে, নির্যাতনের শিকার ওই নারী শনিবার রাতেই চর এলাহী বিএনপির সাবেক সভাপতি (৫ আগস্টের পর খুন হওয়া) আবদুল মতিন ওরফে তোতা চেয়ারম্যানের ছেলে মো. ইব্রাহিমসহ ছয়জনকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলার বাকি আসামিরা হলেন সাইফুল ইসলাম, মো. রাজিব ওরফে রাজু, মোহাম্মদ রাশেদ, মো. হারুন ও মো. হাসান। এর মধ্যে হারুন ও হাসানকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।

তদন্তে জানা যায়, ইব্রাহিমের বড় ভাই মো. ইসমাইল ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি। আসামিরা সবাই যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত।

মামলার এজাহার এবং নির্যাতিত নারীর বর্ণনায় জানা গেছে, তাঁর স্বামী পেশায় কাভার্ড ভ্যান চালক। তিনি তাঁর মেয়ে (১৭) ও দেবর (২১) নিয়ে একসঙ্গে বসবাস করেন। বাড়ির আশপাশে তেমন বসতি নেই। ২১ অক্টোবর রাত ১১টার দিকে একই ইউনিয়নের ছয় যুবক এসে তাঁদের বাড়ির দরজা ভেঙে ঢোকে। তারপর তাঁর দেবরের হাত-পা বেঁধে তাঁকে এবং তাঁর মেয়েকে বাইরে নিয়ে যায়।

নারীর অভিযোগ, তিন যুবক তাঁকে পুকুর পাড়ে টেনে নিয়ে যায় এবং বাকি তিনজন তাঁর মেয়েকে রান্নাঘরের সামনে নিয়ে যায়। সেখানে তাঁকে পুকুর পাড়ে ও মেয়েকে রান্নাঘরের সামনে রাত তিনটা পর্যন্ত ধর্ষণ করা হয়। এরপর তারা ঘর থেকে টাকা-পয়সাসহ বিভিন্ন জিনিস লুট করে নিয়ে যায়। যাওয়ার আগে কাউকে কিছু জানালে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে যায়।

ওই নারী জানান, ঘটনার পরের দিন সকালে স্থানীয় সমাজপতিদের কাছে বিচার দাবি করেন, কিন্তু তাঁরা বিচারের নামে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন। এরপর গতকাল বিকেলে চর বালুয়া পুলিশ ক্যাম্পে গিয়ে অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ তাঁকে কোম্পানীগঞ্জ থানায় পাঠায়।

তিনি অভিযোগ করেন, ঘটনার পর থেকেই আসামিরা ও তাদের লোকজন তাঁকে নানাভাবে হুমকি দিয়ে আসছে।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..